হাদিস
ফিরে যান

সুনানে নাসায়ী 3 · The Book of Menstruation and Istihadah

আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে

348। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বের হলাম, হাজ্জ (হজ্জ) করা ব্যতীত আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। যখন আমরা সারিফ নামক স্থানে উপনীত হলাম তখন ঋতুমতী হলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন তখন আমি কাঁদছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি হল? তোমার কি নিফাস (হায়য) আরম্ভ হয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ ত’আলা আদম কন্যাদের জন্য অবধারিত করেছেন। অতএব বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত হাজিগণ যে সব কাজ করে থাকেন, তুমিও তা কর।

349। ইমরান ইবনু ইয়াজিদ (রহঃ) ... উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কুরাইশ বংশের আসা’দ গোত্রের ফাতিমা বিন্‌ত কায়স (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন যে, তার ইস্তিহাযা হয়। তিনি মনে করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ একটি শিরা (শিরার রক্ত) বিশেষ। অতএব যখন হায়য আরম্ভ হবে তখন সালাত ছেড়ে দেবে। আর যখন তা বন্ধ হবে তখন গোসল করবে এবং তোমার ঐ রক্ত ধুয়ে ফেলবে। অতঃপর সালাত আদায় করবে।

350। হিশাম ইবনু আম্মার (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন হায়েয আসে তখন সালাত ছেড়ে দেবে, আর যখন তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন গোসল করবে।

351। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন উম্মে হাবীবা বিনতে জাহশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফতওয়া চাইলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার ইস্তিহাযা হয়। তিনি বললেন, এ একটি শিরা (শিরার রক্ত) বিশেষ। অতএব তুমি গোসল কর এবং সালাত আদায় কর। এরপর তিনি প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন।

354। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) ... উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলঃ আমার ইস্তিহাযা হয় আর আমি পাক হইনা। আমি কি সালাত ছেড়ে দেব? তিনি বললেনঃ না বরং যে কয়টি দিবারাত্র তোমার হায়য থাকত, ততদিন তুমি সালাত ছাড়বে। তারপর তুমি গোসল করবে এবং পট্টি বাধবে, পরে সালাত আদায় করবে।

355। কুতায়বা (রহঃ) ... উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় এক মহিলার অবিরাম রক্তস্রাব হতো। তার জন্য উম্মে সালমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সমাধান চাইলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে দেখবে ইস্তিহাযার আক্রান্ত হবার পূর্বে মাসে কতদিন কত রাত তার হায়েয আসত। প্রতি মাসের ততদিন সময়ে সালাত ছেড়ে দেব। এ পরিমান সময় অতিবাহিত হলে সে গোসল করবে, পরে কাপড় দ্বারা পট্টি বাধবে, তারপরে সালাত আদায় করবে।

356। রবী ইবনু সুলায়মান (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রাঃ) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা বিনত জাহশ (রাঃ) ইস্তিহাযার আক্রান্ত ছিলেন। পবিত্র হতেন না। তার ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বর্ণনা করা হল। তিনি বললেনঃ তা হায়য নয়, বরং জরায়ুর আঘাতজনিত একটি রোগ। সে লক্ষ্য রাখবে ইতিপূর্বে যতদিন তার হায়য থাকত ততদিন সে সালাত ছেড়ে দেবে। তারপর তার পরবর্তী অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রাখবে। পরে সে প্রত্যেক সালাতের সময় গোসল করবে।

357। মূসা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, জাহশের কন্যা সাত বছর যাবত ইস্তিহাযায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা হায়য নয়, বরং এটা শিরার রক্ত এবং তাকে নির্দেশ দিলেন যে, তিনি হায়যের সমপরিমাণ সময়ে সালাত আদায় করবেন না। এরপরে তিনি গোসল করবেন এবং সালাত আদায় করবেন। তিনি প্রত্যেক সালাতের সময় গোসল করতেন।

358। ঈসা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) ... উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার রক্ত নির্গত হওয়ার অভিযোগ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ এটি শিরার রক্ত মাত্র। তাই তুমি লক্ষ্য রাখবে যখন তোমার ঋতু আরম্ভ হবে, তখন সালাত ছেড়ে দেবে। আর যখন ঋতুর সময় অতিক্রান্ত হবে, তখন তুমি পবিত্রতা অর্জন করবে। পরে এক ঋতুর সময় অতিবাহিত হবার পর হতে আর এক ঋতুর সময় আসা পর্যন্ত সালাত আদায় করবে।

359। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমি ইস্তিহাযায় আক্রান্ত। সে কারণে আমি পবিত্র হই না। এই অবস্থায় আমি সালাত ছেড়ে দেব কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না এটা শিরার রক্ত মাত্র; হায়য নয়। অতএব তোমার যখন ঋতু আরম্ভ হবে, তখন সালাত ছেড়ে দেবে। আর যখন ঋতুর সময় অতিবাহিত হবে, তখন তুমি রক্ত ধৌত করবে এবং সালাত আদায় করবে।

360। ইসহাক ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে ইস্তিহাযায় আক্রান্ত কোন মহিলাকে বলা হলঃ এটা একটা অবাধ্য শিরা (যা হতে ক্রমাগত রক্ত নির্গত হয়)। তাকে আদেশ করা হল, সে যেন যোহরের সালাত শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে এবং আসরের সালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে, আর উভয় সালাতের জন্য একবার গোসল করে। আর মাগরিবের সালাত বিলম্বে আদায় করে, ঈশার সালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে, আর উভয় সালাতের জন্য যেন একবার গোসল করে।। আর ফজরের সালাতের জন্য একবার গোসল করে।

361। সুওয়ায়দ ইবনু নসর (রহঃ) ... যায়নাব বিনত জাহশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম যে, আমি ইস্তিহাযা গ্রস্ত। তিনি বললেনঃ সে তার হায়যের দিনগুলোতে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। পরে গোসল করবে। যোহরের সালাত দেরীতে আর আসরের সালাত প্রথম ওয়াক্তে গোসল করে আদায় করবে এবং পুনরায় গোসল করে মাগরিবকে পিছিয়ে আর ঈশাকে প্রথমভাগে আদায় করবে এবং ফজরের জন্য একবার গোসল করবে।

362। মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের যা চেনা যায়। এ সময় তুমি সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযু করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্ত বিশেষ। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না বলেন, এ হাদিসটি ইবনু আদি আমাদের নিকট তার কিতাব হতে বর্ণনা করেছেন।

363। মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) ইস্তিহাজাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতাবস্থায় তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযু করবে এবং সালাত আদায় করবে। আবূ আবদুর রহমান বলেন এ হাদিসটি একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু আদি যা উল্লেখ করেছেন- 'ইস্তিহাজাগ্রস্ত মহিলা ওযু করে নামায আদায় করবে' তা অন্য কেউ উল্লেখ করেন নি।

364। ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ইবনু আরাবী (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ইস্তিহাযাগ্রস্ত। ফলে আমি পাক হই না। এমতাবস্থায় আমি কি সালাত ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা শিরা হতে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। অতএব যখন হায়য দেখা দেবে তখন সালাত ছেড়ে দেবে, আর যখন ঐ সময় অতিবাহিত হবে, তখন তোমার শরীর হতে হায়য ধুয়ে নেবে এবং উযু করে সালাত আদায় করবে। এটি শিরা হতে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। সনদের জনৈক বর্ণনাকারীকে জিজ্ঞাসা করা হল তাহলে গোসল? তিনি বললেনঃ এ বিষয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করেন না। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, হিশাম ইবনু উরওযা (রহঃ) থেকে এ হাদিসখানা একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাম্মাদ (রহঃ) ব্যতীত আর কেউ উযু করে সালাত আদায় করবে এ কথাটি উল্লেখ করেননি।

365। সুয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ইস্তিহাযায় আক্রান্ত, ফলে আমি পবিত্র হইনা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা শিরা হতে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। অতএব যখন হায়য আসবে তখন তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে, আর যখন ঐ সময় অতিবাহিত হবে, তখন তোমার শরীর হতে রক্ত ধুয়ে সালাত আদায় করবে।

366। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমি পবিত্র হই না। আমি কি সালাত আদায় করা ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা শিরা থেকে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। অতএব যখন হায়য আরম্ভ হয় তখন তুমি সালাত ছেড়ে দেবে, আর যখন তার সমপরিমাণ অতিবাহিত হয়, তখন তোমার শরীর হতে রক্ত ধুয়ে নেবে আর সালাত আদায় করবে।

367আবূল আশ’আস (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি পাক হই না, আমি কি সালাত ছেড়ে দেব? তিনি বললেনঃ না, এটা শিরা হতে নির্গত রক্ত বিশেষ। খালিদ বলেন, আমি যা তার কাছে পাঠ করেছি, তাতে রয়েছে, তা হায়য নয়, যখন হায়য দেখা দিবে তুমি নামায ছেড়ে দিবে আর যখন তা শেষ হয় তখন তোমার শরীর থেকে রক্ত ধৌত করে নিবে এবং নামায আদায় করবে।

368। আমর ইবনু যুরারা (রহঃ ... মুহাম্মাদ ইবনু সিরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) বলেছেনঃ আমরা হলদে রঙ এবং মেটে রঙ এর রক্তকে হায়যের কোন বস্তু মনে করতাম না।

369। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়াহূদী নারীদের যখন হায়য আসত তখন তারা তাদের সাথে একত্রে পানাহার করত না, তাদের সাথে ঘরে একত্রে অবস্থানও করত না। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে আল্লাহ তা’আলাوَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى এই আয়াত নাযিল করেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আদেশ করলেনঃ তারা যেন তাদের সাথে একসাথে পানাহার করে এবং তাদের সাথে একই ঘরে বসবাস করে, আর যেন তাদের সাথে সহবাস ব্যতীত অন্য সব কিছু করে। এরপর ইয়াহুদীরা বলতে লাগল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কোন ব্যাপারেই বিরোধিতা না করে ছাড়বেন না। তখন উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) এবং আব্বাদ ইবনু বিশর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ সংবাদ দিয়ে বললেন, তাহলে কি আমরা স্ত্রীদের সাথে হায়যের সময় সহবাস করব? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল। এমনকি আমরা ধারণা করলাম, তিনি তাদের প্রতি রাগান্বিত হয়েছেন। তখন তারা উঠে চলে গেলেন। ইত্যবসরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হাদিয়ার দুধ আসল। তিনি উক্ত দু’জনের খোঁজে লোক পাঠালেন। সে উভয়কে ফিরিয়ে আনলেন, তিনি তাঁদেরকে তা পান করালেন। তখন বোঝা গেল যে, তিনি তাদের উপরে রাগান্বিত হন নি।

370। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যাক্তি হায়য অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে, তার ব্যাপারে হুকুম এই যে, সে এক দ্বীনার অথবা অর্ধ দ্বীনার সদকা করবে।

371। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইসমাঈল ইবনু মাসউদ (রহঃ) ... যায়নাব বিনত আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে সালামা (রাঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে শায়িত ছিলাম। এমতাবস্থায় আমার হায়য দেখা দিলে আমি সরে পড়লাম এবং আমার হায়য বস্ত্র পরিধান করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি হায়যগ্রস্ত হয়েছ কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন এবং আমি তার সঙ্গে একই চাঁদরে শয়ন করলাম। হাদিসে বর্ণিত শব্দাবলী উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদের।

372। মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই চাঁদরে রাত্রি যাপন করতাম অথচ আমি ছিলাম ঋতুমতী। আমার কোন কিছু তার শরীরে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থান ধুয়ে নিতেন, এর অধিক ধুতেন না। আর তাতেই তিনি সালাত আদায় করতেন। এর পর তিনি আবার আমার নিকট ফিরে আসতেন। আবার আমার শরীর হতে তার শরীরে কিছু লাগলে অনুরূপ শুধু ঐ জায়গা ধুতেন এর বেশী ধুতেন না। আর এতেই তিনি নামায আদায় করতেন।

373। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কেউ ঋতুমতী হলে আকে আদেশ করতেন যেন সে ইযার শক্ত করে বাঁধে। পরে তিনি তার শরীরের সাথে শরীর লাগাতেন।

374। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ ঋতুমতী হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তিনি তার দেহের সাথে দেহ মেলাতেন।

375। হান্নাদ ইবনু সাররী (রহঃ) ... জুমায় ইবনু উমায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার আম্মা ও আমার খালার সাথে আয়িশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তারা উভয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনাদের কেউ ঋতুমতী হলে তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, তখন তিনি আমাদের আদেশ করতেন আমরা যেন শক্ত করে প্রশস্ত ইযার পরিধান করি। তারপর তিনি তার স্তনসহ বক্ষদেশ জড়িয়ে ধরতেন।

376। হারিস ইবনু মিসকিন (রহঃ) ... মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহধর্মিণীদের কারো সাথে হায়য অবস্থায় শরীরের সাথে শরীর লাগাতেন, যখন তিনি (ঋতুমতী সহধর্মিণী) ইযার পরিহিত থাকতেন যা তার উরু ও হাটুদ্বয়ের অর্ধেক পর্যন্ত পৌঁছত।

377। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... সুরাইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাঃ) কে প্রশ্ন করেন, স্ত্রী কি তার স্বামীর সাথে হায়য অবস্থায় খাদ্যগ্রহণ করতে পারে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডাকতেন আর আমি তার সঙ্গে একত্রে খাদ্যগ্রহণ করতাম, অথচ তখন আমি ঋতুমতী। তিনি একখানা গোশত যুক্ত হাড় নিতেন আর তা খাওয়ার ব্যাপারে আমাকে বাধ্য করতেন, আমি তা থেকে গোশত কামড়ে নিতাম, পরে তা রেখে দিতাম। পরে তিনি তা হাতে নিয়ে নিজেও কামড়ে খেতেন আর আমি হাড়ের যেখানে আমার মুখ রাখতাম তিনি সেখানেই তার মুখ রাখতেন। আর তিনি পানীয় আনতে বলতেন এবং তিনি তা হতে নিজে পান করার পূর্বে আমাকে পান করার জন্য বাধ্য করতেন। তখন আমি ঐ পাত্র নিয়ে তা থেকে পান করতাম, তারপর তা রেখে দিতাম। তিনি তা হাতে নিতেন এবং তা হতে পান করতেন। তিনি তার মুখ পেয়ালার ঐ স্থানেই রাখতেন যেখানে আমি আমার মুখ রাখতাম।

378। আইয়্যুব ইবনু মুহাম্মদ ওয়ায্‌যান (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মুখ ঐ স্থানে রাখতেন যে স্থান থেকে আমি পান করতাম আর তিনি আমার পান করার পর উদ্বৃত্ত পানি পান করতেন অথচ তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী।

379। মুহাম্মদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ... সুরাইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পানপাত্র দিতেন তখন আমি তা থেকে পান করতাম, অথচ তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী। পরে আমি ঐ পাত্র তাকে প্রদান করতাম, তখন তিনি আমার মুখ রাখার স্থানটি তালাশ করে সেখানেই মুখ রাখতেন।

380। মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি পানপাত্র থেকে পান করতাম তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী। তারপর আমি তা থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রদান করতাম, তিনি আমার মুখের স্থানে তার মুখ রেখে পান করতেন এবং ঋতুমতী অবস্থায় আমি গোশত যুক্ত হাড় হতে গোশত চিবাতাম আর তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে প্রদান করতাম। তিনি আমর মুখ রাখার স্থানে নিজের মুখ রাখতেন।

381। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথা আমাদের কারো কোলে স্থাপিত থাকত অথচ তখন সে ছিল ঋতুমতী। আর এ অবস্থায় তিনি কুরআন তিলাওয়াত করেছেন।

382। আমর ইবনু যুরারা (রহঃ) ... মু’আযা আদাবিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একজন মহিলা আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলঃ ঋতুমতী নারীরা কি সালাত ক্বাযা পড়বে? তিনি বললেনঃ তুমি কি খারিজী মহিলা? আমরা তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপস্থিতিতে ঋতুমতী হতাম আর তখন আমরা সালাত আদায় করতাম না এবং আমাদের তা ক্বাযা করতেও বলা হতো না।

383। মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে ছিলেন, হঠাৎ তিনি বললেন, হে আয়িশা! আমাকে কাপড়খানা দাও। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি সালাত আদায় করছি না। তিনি বললেন, হায়য তোমার হাতে নয়। তখন আয়িশা (রাঃ) তাকে তা প্রদান করলেন।

384। কুতায়বা (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আসিম ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ আমাকে মসজিদ হতে চাটাই খানা এনে দাও। আমি বললাম, আমি তো ঋতুমতী, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হায়য তোমার হাতে নয়। ইসহাক (রহঃ) বলেন, আবূ মু'আবিয়া আ'মাশ সুত্রে এ সুত্রে এ সনাদে আমাদের নিকট অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।

385। মুহাম্মদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ... মানবূয (রহঃ) তার মাতা থেকে বর্ণনা করেন যে, মায়মূনাহ (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কারো কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন অথচ সে ছিল তখন ঋতুমতী। আর আমাদের মধ্যে কেউ মসজিদে হায়য অবস্থায় তার চাটাই বিছিয়ে আসত।

386। নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি ঋতুমতী অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথায় চিরুনি করতেন আর তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফে থাকতেন। সেখান থেকে তার দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন আর তিনি [আয়িশা (রাঃ)] থাকতেন হুজরায়।

387। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ অবস্থায় আমার দিকে তার মাথা বাড়িয়ে দিতেন আর আমিও ঋতুমতী অবস্থায় তা ধুয়ে দিতাম।

388। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে আমার দিকে মাথা বের করে দিতেন আর আমি ঋতুমতী অবস্থায় তা ধুয়ে দিতাম।

389। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ঋতুমতী অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথায় চিরুনি করে দিতাম।

390। আমর ইবনু যুরারা (রহঃ) ... হাফসা (রহঃ)* থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উম্মে আতিয়্যার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাম উচ্চারণ করলেই বলতেনঃ ‘আমার পিতা উৎসর্গিত হোক’। একদা আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমার পিতা উৎসর্গিত হোক। তিনি বলেছেন, বালেগা হওয়ার নিকটবর্তী বয়সের বালিকা, অন্তঃপুরবাসিনী ও ঋতুমতী মহিলাগণ নেক কাজে এবং মুসলিমদের দোয়ার মজলিসে উপস্থিত হতে পারে, তবে ঋতুমতী মহিলাগণ সালাতের স্থান থেকে দূরে থাকবে।

391। মুহাম্মদ ইবনু সালামা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেনঃ সফিয়া বিনত হুয়াই ঋতুমতী হয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হয়তো সে আমাদের আটকে রাখবে, সে কি তোমাদের সাথে কা’বা শরীফের তাওয়াফ করেনি? তিনি উত্তর দিলেন হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমরা বের হয়ে পড়।

392। মুহাম্মাদ ইবনু কুদামা (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আসমা বিনত উমায়স যখন জুলহুলাইফাহ নামক স্থানে নিফাসওয়ালী হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ) কে বললেনঃ তাকে বল সে যেন গোসল করে নেয় এবং ইহরাম বাধে।

393। হুমায়দ ইবনু মাস’আদা (রহঃ) ... সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে উম্মে কা’বের জানাযার সালাত আদায় করেছি। তিনি নিফাস অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে তার লাশের মাঝামাঝি স্থানে দাঁড়িয়েছিলেন।

394। ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ইবনু আরাবী (রহঃ) ... আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঋতুর রক্ত কাপড়ে লাগলে কি করতে হবে তা জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ তা খুঁটবে পরে তা আঙ্গুল দ্বারা মলবে। তারপরে পানি ঢেলে ধুয়ে নেবে এবং তাতেই সালাত আদায় করবে।

395। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ্ (রহঃ) .... আদী ইবনু দ্বীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি শুনেছি, উম্মে কায়স বিনত মিহসান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, ঋতুর রক্ত কাপড়ে লাগলে কি করবেন? তিনি বললেনঃ নখ দ্বারা ঘসে নেবে। তারপর পানি ও কূল পাতা দ্বারা ধুয়ে ফেলবে।

উৎস: Sunan an Nasai

WEBREATH · 11:11

«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari

Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.

WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath