সুনানে নাসায়ী 34 · The Book of 'Umra
আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে
3720মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, উমরা ওয়ারিসদের জন্য।
3721আমর ইবন আলী (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা ওয়ারিসদের জন্য।
3722মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ারিসদের জন্য উমরার ফয়সালা দিয়েছেন।
3723মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বস্তুর উমরা করে, তা ঐ ব্যক্তির হয়ে যাবে যার জন্য তা করা হয় তার হায়াত ও মওত সর্বাবস্থার জন্য। (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তোমরা রুকবা করো না। আর যে ব্যক্তি কোন বস্তুতে রুকবা করে, তবে তা তার বিধানমত চালু থাকবে।
3724যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমরারূপে দান বৈধ (চলমান থাকবে)।
3725হারূন ইবন মুহাম্মাদ ইবন বাক্কার (রহঃ) ... ইব্ন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমরা করা বৈধ (কার্যকর)।
3726মুহাম্মাদ ইবন হাতিম (রহঃ) ... মাকহূল (রহঃ) তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরা এবং রুকবাকে স্থায়ী (-রূপে কার্যকর) করেছেন।
3727আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আতা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ উমরা বৈধ (কার্যকর)।
3728আহমাদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আতা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরা এবং রুকবা করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললামঃ রুকবা কি? তিনি বললেনঃ কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে এই বলা যে, এই বস্তু তোমার, যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে। তবে যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা বৈধ (কার্যকর হবে)।
3729মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমরা বৈধ (কার্যকর)।
3730মুহাম্মাদ ইবন হাতিম (রহঃ) ... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তিকে তার জীবন শর্তে কোন কিছু দান করা হয়, তবে তা জীবনকালে ও মৃত্যুর পরে তারই হয়ে যাবে।
3731মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রুকবা করো না এবং উমরা কর না। আর যাকে উমরা এবং রুকবা হিসেবে কিছু দান করা হয়, তা তার ওয়ারিসদের জন্য হবে।
3732ইসহাক ইন ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা এবং রুকবা (করা উচিত) নয়। তবু যদি কাউকে উমরা অথবা রুকবা হিসেবে কিছু দেয়া হয়, তবে তা ঐ ব্যক্তির হয়ে যাবে, তার জীবনকাল ও মৃত্যুর পরেও।
3733উবায়দুল্লাহ্ ইবন সাঈদ (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা এবং রুকবা (করা উচিত) নয়। যাকে উমরা অথবা রুকবা হিসেবে কিছু দেয়া হয়, তবে তা তারই হবে— জীবিত অবস্থায় এবং মরণের পরেও। আতা (রহঃ) বলেন, তা দ্বিতীয় (দানকৃত) ব্যক্তির জন্য।
3734আবদা ইবন আবদুর রহীম (রহঃ) ... হাবীব ইবন আবু সাবিত (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বলতে শুনেছি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকবা করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যাকে কিছু রুকবা হিসেবে দেয়া হয়, তা তারই হয়ে যাবে।
3735আমর ইবন আলী (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ যাকে উমরা হিসেবে কিছু দান করা হয়, তা জীবনে ও মরণে ঐ ব্যক্তিরই হয়ে যায়।
3736মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন সুদরান (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আনসারগণ! তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ নিজের কাছে রাখ, তা উমরা করো না। কেননা যে ব্যক্তি কাউকে কোন বস্তু উমরা হিসেবে দান করে, ঐ মাল ঐ ব্যক্তির হয়ে যাবে যাকে উমরারূপে দেয়া হবে, তার জীবিতাবস্থায় এবং মরণান্তে।
3737মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সম্পদ তোমাদের নিজেদের নিকট রেখে দাও, তা উমরা করো না। কেননা যদি কাউকে তার হায়াতকালের জন্য উমরারূপে কিছু দান করা হয়, তবে তা ঐ ব্যক্তির জীবিতাবস্থায় এবং মরণান্তে তার হয়ে যাবে।
3738মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জন্য রুকবা করা হয়, (রুকবা) তারই হয়ে যায়।
3739আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা (-র বস্তু) যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়। আর রুকবা যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়।
3740মাহমূদ ইবন খালিদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকে উমরারূপে কিছু দেয়া হয়, তা তার এবং তার (পরে তার) উত্তরসূরীদের জন্য। তার উত্তরসূরীদের মধ্যে যারা তার ওয়ারিস হবে, তারাই এর (উমরার) ওয়ারিস হবে।
3741ঈসা ইবন মুসারিব (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জন্য উমরা করা হয়, ‘উমরা’ (কৃত বস্তু) তারই হবে। তার (পরে তার) উত্তরসূরীদের জন্য। তার উত্তরসূরীদের মধ্যে যারা তার ওয়ারিস হবে, তারাই এর (উমরার) ওয়ারিস হবে।
3742মুহাম্মাদ ইবন হিশাম বা’লাবাক্কী (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জন্য উমরা করা হয়েছে, উমরা তারই। আর তার পরে যারা তার ওয়ারিস হবে, তা তাদের জন্য।
3743মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহীম (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ (যদি) কাউকে উমরা হিসেবে কিছু দান করে এবং তার পরবর্তীদেরকে তাহলে ঐ বস্তু যাকে দেয়া হয়েছে, তার হয়ে যাবে এবং তার উত্তরসূরীদের মধ্যে যারা তার ওয়ারিস হবে তাদের জন্য মীরাসরূপে হয়ে যাবে।
3744কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কেউ যদি কোন ব্যক্তিকে উমরা হিসেবে কিছু দান করে এবং তার ওয়ারিসদেরকে, তবে সে নিজের কথা দ্বারা নিজের অধিকার রহিত করল। তার কথা দ্বারা ঐ মাল ঐ ব্যক্তির এবং তার উত্তরসূরীদের হয়ে যাবে।
3745মুহাম্মাদ ইবন সালামা ও হারিস ইবন মিসকীন (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তি উমরা হিসেবে কাউকে কিছু দান করে এবং তার ওয়ারিসদেরকে; তবে ঐ বস্তু যাকে দেয়া হয়েছে তার হয়ে যাবে; যে দান করেছে তা তার নিকট ফিরে আসবে না। কেননা সে এমন একটি দান করেছে যাতে ‘মীরাস’-এর অধিকার প্রযুক্ত হয়েছে।
3746ইমরান ইবন বাক্কার (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন যে, যে ব্যক্তি কাউকে কিছু উমরা হিসেবে তাকে দান করে এবং তার উত্তরসূরীদের (দান করে) তবে তা অবশ্যই তার হয়ে যাবে যাকে তা দান করা হয়েছে। যাকে দান করা হয়েছে, সে মালিকের পক্ষে তা মীরাস সাব্যস্ত হবে আল্লাহ্ তা'আলার মীরাসের বিধান ও অধিকার অনুসারে।
3747মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল হাকাম (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা প্রদান করেছেন, যে ব্যক্তি নিজের মাল অন্যের জন্য উমরা করে এবং তার ওয়ারিসদের জন্যও, তবে তা অখণ্ডনীয়রূপে তার হয়ে যাবে। দাতার জন্য এতে কোন শর্ত করা এবং কিছু বাদ রাখাও বৈধ নয়। রাবী আবু সালামা (রহঃ) বলেন, কেননা সে এমন দান করেছে যাতে (গ্রহীতার) ওয়ারিসদের মীরাস ধার্য হয়ে গেছে, মীরাসের বিধানদাতার শর্ত কর্তন (শেষ) করে দিয়েছে।
3748আবু দাউদ সুলায়মান ইবন সায়ফ (রহঃ) … জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি এবং তার উত্তরসূরীদের জন্য উমরা করলো, এই বলে যে, আমি ইহা তোমাকে এবং তোমার উত্তরসূরীদেরকে দান করলাম- যতদিন তোমাদের কেউ বেঁচে থাকবে। তবে যাদেরকে দান করা হয়েছে, তা তাদের হয়ে যাবে। আর এটা দাতার দিকে ফিরে আসবে না। কেননা সে এমনভাবে দান করেছে, যাতে (গ্রহীতার) মীরাসের বিধান সাব্যস্ত হয়ে গেছে।
3749মুহাম্মাদ ইব্ন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমরা’ সম্পর্কে এভাবে ফায়সালা দিয়েছেনঃ যদি কেউ এই শর্তে কাউকে কোন কিছু দান করে এবং তার উত্তরসূরীদেরও যে, যদি তোমার উপর কোন বিপদ উপস্থিত হয়, তখন তা আমার এবং আমার উত্তরসূরীদের হয়ে যাবে। তিনি ফয়সালা দিয়েছেন যে, ঐ মাল যাকে দেয়া হয়েছে তার এবং তার (গ্রহীতার এবং গ্রহীতার) ওয়ারিসদের হয়ে যাবে।
3750মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... আবু সালমা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা (-রূপে প্রদত্ত জিনিস) ঐ ব্যক্তির হয়ে যায়, যার জন্য উমরা করা হয়।
3751ইয়াহইয়া ইবন দুরস্ত (রহঃ) ... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার জন্য উমরা দান করা হয়, তা তারই হয়ে যায়।
3752আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা করা ঠিক নয়; তবে যদি কাউকে উমরা হিসেবে কিছু দান করা হয়, তবে তা তারই হয়ে যাবে।
3753ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যাকে উমরা হিসেবে কিছু দেয়া হয়; তা তারই হয়ে যায়।
3754মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরা (করা) বৈধ (কার্যকর)।
3755মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ... শুরায়হ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিয়েছেনঃ উমরা (করা) বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, মুহাম্মাদ ইবন নাযর (রহঃ) বাশীর ইবন নাহিক (রহঃ) সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা জায়েয (কার্যকর)। কাতাদা (রহঃ) বলেন, হাসান (রহঃ) বলেছেন, উমরা করা বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, যুহরী (রহঃ) বলেছেনঃ উমরা করা তখন বৈধ হবে যখন কোন ব্যক্তিকে এবং তার উত্তরসূরীদেরকে (ওয়ারিসদেরকে) উমরা করা হয়, (তখন ঐ উমরা করা বস্তু দাতার দিকে পুনঃ প্রত্যাবর্তন করবে না)। তবে যদি ওয়ারিসদের জন্য উমরা না করে থাকে, তবে তা শর্ত মত হবে, (অর্থাৎ দাতা ফেরত পাবে)। কাতাদা (রহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি আতা ইবন আবু রাবাহ (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা করা বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, যুহরী (রহঃ) বলেছেনঃ খলীফাগণ এর আদেশ করেন নি। আতা (রহঃ) বলেনঃ আবদুল মালিক ইবন মারওয়ান এরূপ করার আদেশ দিতেন।
3756মুহাম্মাদ ইবন মামার (রহঃ) ... ‘আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ) তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্ত্রীর পক্ষে তার মাল হতে দান করা বৈধ নয়, যখন তার স্বামী তার ইযযতের মালিক হয়ে যায়।
3757ইসমাঈল ইবন মাসউদ ও হুমায়দ ইবন মাস'আদা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইব্ন আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ) তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের পর খুতবা দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কোন স্ত্রীর জন্য কাউকে কিছু দান করা বৈধ নয়।
3758হান্নাদ ইবন সারী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন আলকামা (রাঃ) বলেন, সাকাফী গোত্রের প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়, তখন তাদের হাতে কিছু হাদিয়া ছিল। তিনি বললেনঃ এটা হাদিয়া না সাদকা? যদি তা হাদিয়া হয়, তবে এরদ্বারা তো আল্লাহর রাসূলের সন্তুষ্টি অর্জন এবং উদ্দেশ্য পূর্ণ হওয়ার বাসনা হয়ে থাকে। আর যদি তা সাদাকা হয়, তবে তা মহান মহীয়ান আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি লাভ করা উদ্দেশ্য। তারা বললেনঃ না, ইহা হাদিয়া। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এই হাদিয়া গ্রহণ করলেন। আর তিনি তাদের সাথে উপবেশন করলেন এবং তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন (তাদের প্রশ্ন করতে লাগলেন এবং তারাও তাকে প্রশ্ন করতে) লাগলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুহরের সালাত আদায় করলেন আসরের সালাতের সঙ্গে।
3759আবু আসিম খুশায়শ ইব্ন আসরাম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম, কারো হাদিয়া গ্রহণ করবো না; তবে কুরায়শী, আনসারী, সাকাফী এবং দাওসীদের হাদিয়া গ্রহণ করবো।
3760ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, (একদা) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গোশত দেয়া হলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ কী (এই গোশত কোন্ ধরনের)? বলা হলঃ তা বারীরাহকে সাদৃকারূপে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, তা তার জন্য তো সাদৃকা, কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়া।
উৎস: Sunan an Nasai
WEBREATH · 11:11
«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari
Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.
WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath