সুনানে ইবনে মাজাহ 32 · Chapters on Dress
আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে
3550। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারুকার্য খচিত একটি পশমী চাদর পরিহিত অবস্থায় নামায পড়লেন, অতঃপর বলেনঃ এই চাদরের কারুকার্য আমাকে অমনোযোগী করেছে। এটা আবূ জাহমের নিকট নিয়ে যাও এবং আমার জন্য তার কারুকার্যহীন (আম্বেজানী) চাদর নিয়ে এসো (বুখারী)।
3551। আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি আমার সামনে ইয়ামনের তৈরী মোটা কাপড়ের একটি লুঙ্গি এবং একটি কম্বল (বা চাদর) বের করলেন এবং শপথ করে আমাকে বললেন, কাপড় দু’টি পরিহিত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইনতিকাল করেন।
3552। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় নামায পড়েন, যা তিনি পিঠ দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন।
3553। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলাম। তাঁর পরনে ছিল মোটা পাড়যুক্ত একটি নাজরানী চাদর।
3554। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কাউকে গালি দিতে শুনিনি এবং কাউকে তাঁর কাপড় ভাঁজ করে দিতেও দেখিনি।
3555। সাহল ইবনে সাদ আস-সাইদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা একখানা চাদরসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার পরার জন্য আমি নিজ হাতে এটা বুনেছি। চাদরের প্রয়োজন অনুভব করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহণ করলেন, অতঃপর সেটাকে লুঙ্গীর মত করে পরিধান করে আমাদের নিকট আসলেন। তখন অমুকের পুত্র অমুক এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! চাদরটা কী চমৎকার। এটা আমাকে পরতে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আচ্ছা। তিনি ভিতর বাড়িতে গিয়ে চাদরটা ভাঁজ করে তার নিকট পাঠিয়ে দিলেন। লোকজন তাকে বললো, আল্লাহর শপথ! কাজটা তুমি ভালো করোনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রয়োজন অনুভব করেই তা পরেছিলেন। আর তুমি তাঁর নিকট থেকে সেটা চেয়ে নিলে! অথচ তুমি জানো যে, তিনি কোন প্রার্থীকেই বিমুখ করেন না। সে বললো, আল্লাহর শপথ! আমি এটা পরার জন্য তাঁর থেকে চেয়ে নেইনি, বরং আমার কাফন বানানোর জন্য চেয়ে নিয়েছি। সাহল (রাঃ) বলেন, লোকটা যেদিন মারা গেল সেদিন সেটিই তার কাফন হলো।
3556। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশমী কাপড় পরেছেন, ছেঁড়া জুতা পরেছেন এবং মোটা কাপড়ও পরেছেন।
3557। আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) নতুন কাপড় পরে বলেন, ‘‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী কাসানী মাউওয়ারী বিহি আওরাতী ওয়া আতাজাম্মালু বিহি ফী হায়াত’’ (সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাকে এমন বস্ত্র পরিধান করিয়েছেন যা দিয়ে আমি আমার লজ্জাস্থান ঢাকতে পারি এবং আমার জীবনযাত্রাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করতে পারি)। অতঃপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি নতুন কাপড় পরিধানকালে এ দোয়া পড়বে, ‘‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী কাসানী উয়ারী বিহি আওরাতী ওয়া আতাজাম্মালু বিহি ফী হায়াতী’’, অতঃপর পুরাতন কাপড়খানাও রেখে দেয়ার ইচ্ছা করে তা দান করে দেয়, তবে সে জীবনে ও মরণে আল্লাহর আশ্রয়ে ও আল্লাহর হেফাজতে থাকবে। কথাটি তিনি তিনবার বলেন।
3558। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার (রাঃ) -র পরনে একটি সাদা জামা দেখতে পেয়ে বলেনঃ তোমার এ কাপড় ধোয়া না নতুন? তিনি বলেন, না, বরং ধৌত করা। তিনি বলেনঃ নতুন কাপড় পরিধান করো, উত্তম জীবন যাপন করো এবং শহিদী মৃত্যু বরণ করো।
3559। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেন। অতএব সে দু’টি পদ্ধতি হলোঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’ হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা।
3560। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেনঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’ হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা।
3561। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেনঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর সমস্ত শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে তোমার নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’ হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা।
3562। আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! বৃষ্টির সময় তুমি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে আমাদের দেখতে তবে অবশ্যই তুমি আমাদের শরীরের গন্ধকে মেষের গন্ধ বলে অনুভব করতে।
3563। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংকীর্ণ হাতাবিশিষ্ট একটি রুমীয় পশমী জুববা পরিহিত অবস্থায় আমাদের নিকট বের হয়ে এলেন। তিনি সেটি পরিহিত অবস্থায় আমাদের সাথে নামায পড়লেন। এটি ছাড়া তাঁর শরীরে (উপরাংশে) আর কিছু ছিলো না।
3564। সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযু করার পর তাঁর পরিধানের পশমী জুববা উল্টিয়ে তা দিয়ে তাঁর মুখমন্ডল মুছলেন।
3565। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মেষ পালের কানে দাগ দিতে দেখেছি এবং তাঁকে একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় দেখেছি।
3566। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পোশাকের মধ্যে উত্তম পোশাক হলো সাদা পোশাক। অতএব তোমরা সাদা রংয়ের পোশাক পরো এবং তা দিয়ে তোমাদের মৃতদের কাফন দাও (বুখারী, মুসলিম, দাউদ ও তিরমিজি)।
3567। সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাদা রংয়ের পোশাক পরিধান করো। কেননা তা অধিক পবিত্র ও উত্তম।
3568। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কবরসমূহে ও মসজিদসমূহে আল্লাহর সাথে সাদা পোশাকে সাক্ষাত করাই তোমাদের জন্য উত্তম।
3569। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি অহংকারবশে নিজের পরিধেয় বস্ত্র গোছার নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরিধান করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না (মা, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ)।
3570। আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অহংকারে মত্ত হয়ে তার পরিধেয় বস্ত্র গোছার নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। রাবী আমাশ (রাঃ) বলেন, আমি ‘বালাত’ নামক স্থানে ইবনে উমার (রাঃ) -র সাথে সাক্ষাত করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পেশ করলাম। তিনি তার দু’ কানের দিকে ইশারা করে বলেন, আমার এ দু’ কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তর তা আত্মস্থ করেছে।
3571। আবূ সালামা (রাঃ) থেকে আবূ হুরায়রা (রাঃ)-র সূত্রে বর্ণিত। আবূ সালামা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর পাশ দিয়ে এক কোরাইশ যুবক তার পরিধেয় বস্ত্র পায়ের গোছার নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে যাচ্ছিল। তিনি বললেন, হে ভাতিজা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার পরিধেয় বস্ত্র গোছার নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।
3572। হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার (অপর বর্ণনায় তাঁর নিজের) জঙঘার পশ্চাদভাগ ধরে বললেনঃ এই হলো লুঙ্গির (সর্বনিম্ন) স্থান। তুমি যদি তা মানতে না চাও তবে আরো নিচে, যদি তাও মানতে না চাও আরো নিচে (নামাতে পারো)। যদি তুমি, তাও মানতে না চাও তবে পায়ের গোছার নিচে যাওয়ার অধিকার লুঙ্গির নাই। ২/৩৫৭২(১)। আলী ইবনে মুহাম্মাদ-সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা-আবূ ইসহাক-মুসলিম ইবনে নুযাইর-হুযায়ফা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
3573। আলা ইবনে আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট লুঙ্গি সম্পর্কে কিছু শুনেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ মুমিন ব্যক্তির লুঙ্গি তার দু’ জঙঘার মধ্যাংশ পর্যন্ত (প্রলম্বিত হতে পারে), তবে জঙঘা থেকে গোছা পর্যন্ত (প্রলম্বিত হওয়ায়) কোন দোষ নেই। কিন্তু গোছার নিম্নাংশে পৌঁছলে তা জাহান্নামে যাবে। এ কথা তিনি তিনবার বলেছেন। যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার লুঙ্গি (গোছার নিচে) ঝুলিয়ে পরে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।
3574। মুগীরা ইবনে শোবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে সুফিয়ান ইবনে সাহল! পরিধেয় বস্ত্র (গোছার নিচে) ঝুলিয়ে পরো না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা এভাবে পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে পরিধানকারীদের পছন্দ করেন না।
3575। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জামার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন পোশাক ছিলো না।
3576। সালেম (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ‘ইসবা’ (পায়ের গোছার নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরিধান) লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ির বেলায়ই হয়ে থাকে। যে ব্যক্তি অহংকারবশে কোন কিছু (পায়ের গোছার নিচে) ঝুলিয়ে পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে ফিরে তাকাবেন না। রাবী আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, হাদীসটি সনদের দিক দিয়ে কিছুটা অপ্রসিদ্ধ।
3577। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ক্ষুদ্র হাতাবিশিষ্ট জামা পরিধান করতেন।
3578। মুআবিয়া ইবনে কুররা (রাঃ) থেকে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁর হাতে বাইআত হলাম। তাঁর জামার বোতামগুলো খোলা ছিল। রাবী উরওয়া (রহ.) বলেন, তাই আমি শীতকালে বা গ্রীষ্মকালে মুআবিয়া ও তার ছেলের জামার বোতাম খোলা রাখতে দেখেছি।
3579। সুয়াইদ ইবনে কায়েস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে এসে দরদাম করে পায়জামা খরিদ করলেন।
3580। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন নারী তার পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল কতখানি (নিচে) ঝুলিয়ে পরতে পারে? তিনি বলেনঃ (গোড়ালি থেকে) এক বিঘত পরিমাণ (উপরে রাখবে)। আমি বললাম, এতে তো তার পা উদাম হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ তাহলে সে এক হাত পরিমাণ নিচে ঝুলিয়ে রাখবে, তার বেশি নয়।
3581। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণকে এক হাত পরিমাণ আঁচল লম্বা করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। নারীরা আমাদের নিকট এলে আমরা তাদেরকে কাঠি দ্বারা এক হাত পরিমাণ মেপে দেখিয়ে দিতাম।
3582। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা (রাঃ) অথবা উম্মু সালামা (রাঃ) কে বলেনঃ তোমার পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল এক হাত পরিমাণ লম্বা হতে পারে।
3583। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল সম্পর্কে বলেনঃ তা এক বিঘত পরিমাণ (গোড়ালির উপরে থাকবে)। আয়েশা (রাঃ) বললেন, তাহলে তো তাদের পায়ের জঙঘা অনাবৃত হয়ে যাবে। তিনি বলেনঃ তবে এক হাত পরিমাণ (নিচের দিকে) লম্বা হবে।
3584। আমর ইবনে হুরাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর খুতবা দিতে দেখেছি।
3585। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেন।
3586। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেন।
3587। আমর ইবনে হুরাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাঁর মাথার কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি। তিনি তাঁর পাগড়ির দু’ প্রান্ত তাঁর দু’ কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।
3588। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করলো, আখেরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না।
3589। বারাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীবাজ, হারীর ও ইসতাবরাক নিষিদ্ধ করেছেন।
3590। হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটা দুনিয়াতে তাদের (কাফেরদের) জন্য এবং আখেরাতে আমাদের জন্য।
3591। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লাল বর্ণের একটি হুল্লা (রেশম মিশ্রিত চাদর) দেখে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতিনিধি দলকে সাক্ষাত দানকালে এবং জুমুআর দিন ব্যবহারের জন্য যদি আপনি এটা কিনতেন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটা এমন লোকে পরতে পারে, আখেরাতে যার কোন অংশ নেই।
3592। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবাইর ইবনুল আওয়াম ও আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রাঃ) কে তাদের চর্মরোগের কারণে রেশমী জামা পরার অনুমতি দেন।
3593। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি হারীর ও দীবাজ এতটুকু পরিমাণের অধিক ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। অতঃপর তিনি তার হাতের প্রথম আংগুল, এরপর দ্বিতীয়টি, এরপর তৃতীয়টি এবং এরপর চতুর্থটি দিয়ে ইশারা করলেন। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে রেশমী বস্ত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।
3594। আসমা (রাঃ)-র মুক্তদাস আবূ উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে উমার (রাঃ) কে রেশমী বস্ত্রের প্রান্তযুক্ত একটি পাগড়ি ক্রয় করতে দেখলাম। অতঃপর তিনি কাঁচি আনিয়ে তা কেটে ফেলেন। আমি আসমা (রাঃ)-র নিকট প্রবেশ করে বিষয়টি তার নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আবদুল্লাহর জন্য দুঃখ হয়। হে মেয়ে! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জুববাটা নিয়ে এসো। সে জুববাটি নিয়ে আসলো, যার দাই হাতা, গলা ও বুকে রেশমের ‘ফিতা’ লাগানো ছিল।
3595। আলী ইবনে আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাম হাতে কিছু রেশমী বস্ত্র এবং ডান হাতে কিছু সোনা নিলেন এবং সেগুলোসহ তাঁর দু’ হাত উপরে তুলে বলেনঃ আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য এ দু’টির ব্যবহার হারাম এবং তাদের মহিলাদের জন্য হালাল।
3596। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে রেশমী সূচিকর্ম খচিত একটি চাদর উপহার দেয়া হলো, যার টানা অথবা পড়ন ছিল রেশমী সূতার। তিনি সেটি লোক মারফত আমার নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি তাঁর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা দিয়ে আমি কী করবো, আমি কি এটা পরবো? তিনি বলেনঃ না, এটা দ্বারা ফাতেমার ওড়না বানিয়ে দাও।
3597। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে আমাদের নিকট এলেন। তাঁর এক হাতে ছিল একটি রেশমী বস্ত্র এবং অপর হাতে ছিল এক টুকরা সোনা। তিনি বলেনঃ এ দু’টি জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য হারাম এবং তাদের মহিলাদের জন্য হালাল।
3598। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কন্যা যয়নব (রাঃ) ,র পরিধানে লাল রং-এর রেশমী কাপড়ের জামা দেখেছি।
3599। বারাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লাল রং-এর পোশাকে ও পরিপাটি চুলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেয়ে অধিক সুন্দর আর কাউকে আমি দেখিনি।
3600। আবদুল্লাহ ইবনে বুরায়দা (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিচিছলেন। তখন (শিশু) হাসান ও হোসাইন (রাঃ) লাল জামা পরিহিত অবস্থায় আছাড়-পাছাড় খেতে খেতে সামনে এসে দাঁড়ালেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বার থেকে নেমে এসে তাদের উভয়কে তাঁর কোলে তুলে নিলেন এবং বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন, ‘‘তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো পরীক্ষা বিশেষ ’’ (সূরা তাগাবুনঃ ১৫)। এ দু’জনকে দেখে আমি ধৈর্য ধারণ করতে পারলাম না। অতঃপর তিনি আবার খুতবা দিতে শুরু করেন।
3601। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মুফাদ্দাম’ পরতে নিষেধ করেছেন। রাবী ইয়াযীদ (রাঃ) বলেন, আমি হাসান ইবনে সুহাইলকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘মুফাদ্দাম’ কী? তিনি বলেন, হলুদ রং-এ রঞ্জিত বস্ত্র।
3602। আবদুল্লাহ ইবনে হুনাইন (রাঃ) থকে বর্ণিত। তিনি বলেন,আমি আলী (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং আমি বলি না যে, তোমাদেরকেও হলুদ রং-এ রঞ্জিত পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন।
3603। ‘আমর ইবনে শো‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে আযাখির উপত্যকা থেকে আসছিলাম। তিনি আমার দিকে তাকালেন, আমার পরনে ছিল হলুদ রং- রঞ্জিত লুঙ্গি। তিনি বলেনঃ এটা কী? আমি তাঁর কিসে অপছন্দ তা অনুভব করলাম। আমি আমার পরিজনের কাছে এলাম, তখন তারা তাদের চুলায় আগুন ধরাচ্ছিল। আমি লুঙ্গিটি চুলায় নিক্ষেপ করলাম। পরদিন সকালে আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি বলেনঃ হে আবদুল্লাহ! লুঙ্গিটা কী করেছো? বিষয়টি আমি তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি বলেনঃ তোমার পরিবারের কাউকে তা পরতে দিলে না কেন? কেননা নারীদের এই রং ব্যবহারে কোন আপত্তি নেই।
3604। কায়েস ইবনে সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসেন। আমরা তাঁর ঠান্ডা হওয়ার জন্য পানি রাখি। তিনি গোসল করলেন। আমি তাঁর জন্য হলুদ রং-এর একটি চাদর নিয়ে এলাম। আমি তাঁর পিঠে হলুদ রং-এর ছাপ দেখতে পেলাম।
3605। ‘আমর ইবনে শো‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পানাহার করো, দান-খয়রাত করো এবং পরিধান করো যাবত না তার সাথে অপচয় বা অহংকার যুক্ত হয়।
3606। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি খ্যাতি লাভের মানসে পোশাক পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে অপমানের পোশাক পরাবেন।
3607। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে যশ লাভের উদ্দেশ্যে পোশাক পরে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে অপমানের পোশাক পরাবেন, অতঃপর তাতে অগ্নিসংযোগ করবেন।
3608। আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি যশের পোশাক পরে, আল্লাহ তার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবেন না যাবত না তাকে যেখানে ইচ্ছা ফেলে রাখেন।
3609। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে কোন চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হলেই তা পাক হয়ে যায়।
3610। মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার মুক্তদাসীকে যাকাত থেকে একটা বকরী দান করেছিলেন। বকরিটি মারা গেলে তা ফেলে দেয়া হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটির পাশ অতিক্রমকালে বলেনঃ এরা এর চামড়াটা খুলে নিলো না কেন, এটা প্রক্রিয়াজাত করে কাজে লাগাতে পারতো! সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো মৃত। তিনি বলেনঃ মৃত জীব খাওয়া হারাম।
3611। সালমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক উম্মুল মুমিনীনের একটি বকরী মারা গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি অতিক্রমকালে বলেনঃ তারা এর চামড়াটা কাজে লাগালে তাদের কোন ক্ষতি হতো না।
3612। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পর তা কাজে লাগাতে নির্দেশ দিয়েছেন।
3613। আবদুল্লাহ ইবনে উকাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের নিকট এ মর্মে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশনামা এলোঃ তোমরা মৃতজীবের চামড়া ও শিরা কোন কাজে ব্যবহার করো না।
3614। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জুতাজোড়ার সামনের দিকে দু’টি ফিতা ছিলো।
3615। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জুতাজোড়ার দু’টি ফিতা ছিলো।
3616। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ জুতা পরিধানের সময় যেন ডান পায়ে আগে পরে এবং খোলার সময় যেন বাম পায়ের জুতা আগে খোলে ( বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি ও আবূ দাউদ)
3617। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এক পায়ে জুতা প’রে বা এক পায়ে মোজা প’রে না হাঁটে। হয় সে উভয় পায়ে জুতা পরবে, অন্যথায় উভয় পা খোলা রাখবে।
3618। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো অবস্থায় জুতা পরতে নিষেধ করেছেন।
3619। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো অবস্থায় জুতা পরতে নিষেধ করেছেন।
3620। বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাজ্জাশী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিশমিশে কালো রংয়ের একজোড়া মোজা উপঢৌকন দেন। তিনি তা পরিধান করেন।
3621। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইহূদী ও খৃস্টানরা খেযাব ব্যবহার করে না। সুতরাং তোমরা তাদের বিপরীত করো।
3622। আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যেসব জিনিস দিয়ে তোমরা বার্ধক্যকে পরিবর্তন করতে পারো তার মধ্যে মেহেদি ও কাতাম হলো সর্বোত্তম।
3623। উসমান ইবনে মাওহাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামা (রাঃ) -এর নিকট প্রবেশ করলাম। রাবী বলেন, তিনি আমার সামনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু চুল বের করলেন, যা মেহেদি ও কাতাম দ্বারা রঞ্জিত ছিল।
3624। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আবূ কুহাফাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আনা হলো। তার মাথার চুল ছিল ধবধবে সাদা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তাকে তার কোন স্ত্রীর নিকট নিয়ে যাও এবং সে যেন তার (চুলের) রং পরিবর্তন করে দেয়। তবে তোমরা তার জন্য কালো রং পরিহার করো।
3625। সুহাইব আল-খায়ের (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যা দিয়ে চুল রঙ্গিন করো তার মধ্যে এই কালো খেযাব খুবই উত্তম। তাতে তোমাদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ আছে এবং জিহাদে তা তোমাদের শত্রুদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টিকর।
3626। সাঈদ ইবনে আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে জুরাইজ (রাঃ) ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তো আপনাকে ওয়ারস ঘাসের রং দিয়ে আপনার দাড়ি রঞ্জিত করতে দেখছি। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, আমার দাড়ি হলুদ রংয়ে রঞ্জিত করার কারণ এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাঁর দাড়ি হলুদ রংয়ে রঞ্জিত করতে দেখেছি।
3627। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেহেদির খেযাব ব্যবহারকারী এক লোকের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বলেনঃ এটা কতই না উত্তম! অতঃপর তিনি মেহেদি ও কাতামের খেযাব গ্রহণকারী এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করার সময় বলেনঃ এটা ওটার চেয়েও উত্তম। অতঃপর তিনি হলুদ রঙের খেযাব গ্রহণকারী এক ব্যক্তিকে অতিক্রমকালে বলেনঃ এটা ঐ সবগুলোর চেয়ে উত্তম। রাবী বলেন, তাউস (রাঃ) হলুদ রঙের খেযাব ব্যবহার করতেন।
3628। আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এ অংশটা অর্থাৎ তাঁর চিবুকের নিচের ও উপরের কিছু চুল সাদা দেখেছি।
3629। হুমাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি খেযাব ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন যে, তিনি তাঁর দাড়ির সম্মুখভাবে মাত্র সতের বা বিশটি সাদা চুল দেখেছেন।
3630। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র বার্ধক্য বলতে ছিল গোটা বিশেক (সাদা) চুল।
3631। মুজাহিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করেন তখন তাঁর মাথার চুলে চারটি বেণি ছিলো ( আবূ দাউদ ও তিরমিজি)।
3632। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহলে কিতাব সম্প্রদায় তাদের মাথার চুল পিছনের দিকে ছেড়ে দিতো এবং মুশরিকরাা মাথার মাঝ বরাবর সিঁথি কাটতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত) কিতাবীদের সাথে সামঞ্জস্য পছন্দ করতেন। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাঁর মাথার সামনের দিকের চুল স্ব-অবস্থায় পিছনের দিকে ছেড়ে দিতেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে সিঁথি কাটতেন।
3633। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পিছন দিকের চুলে সিঁথি কেটে দিতাম, পরে আমি তাঁর মাথার সামনের চুল স্ব-অবস্থায় পিছনের দিকে ছেড়ে দিতাম।
3634। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল ছিল সামান্য কোঁকড়ানো এবং দু’ কান ও দু’ কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলানো।
3635। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মাথার চুল ছিলো তাঁর কানের লতির নিম্নভাগ অতিক্রম করে প্রায় কাঁধ বরাবর প্রলম্বিত।
3636। ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথার লম্বা চুল দেখে বললেনঃ দুর্ভাগ্য! আমি ফিরে গিয়ে তা খাটো করে ফেললাম। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখে বলেনঃ আমি তো তোমার সম্পর্কে মন্তব্য করিনি। তবে এটা উত্তম।
3637। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘কাযা’ নিষিদ্ধ করেছেন। রাবী জিজ্ঞাসা করেন, ‘কাযা’ কী? ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, ‘কাযা’ হলো- শিশুর মাথার একাংশের চুল কামানো এবং একাংশের চুল রেখে দেয়া।
3638। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথার অংশবিশেষের চুল কামাতে নিষেধ করেছেন।
3639। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি রূপার অংটি গ্রহণ করলেন এবং তার গায়ে ‘‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’’ খোদাই করান। অতঃপর তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার আংটিতে আমার আংটির নকশা খোদাই না করে।
3640। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি আংটি তৈরি করান, তারপর বলেনঃ আমি একটি আংটি তৈরি করিয়েছি এবং তাতে কিছু নকশা করিয়েছি। সুতরাং কেউ যেন এর অনুরূপ নকশা খোদাই না করায়।
3641। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি রূপার আংটি গ্রহণ করেন। তাতে আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল এবং তার গায়ে ‘‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’’ খোদাইকৃত ছিল।
3642। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন।
3643। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনার আংটি পরা নিষিদ্ধ করেছেন।
3644। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজ্জাশী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সোনার একটি আংটি উপহার দেন। তাতে আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি অপছন্দ করায় একটি কাঠি বা হাতের আংগুল দ্বারা তা নিলেন, অতঃপর তাঁর কন্যার কন্যা (নাতনি) উমামা বিনতে আবুল আসকে ডেকে বলেনঃ নাতনি! এটা তুমি পরো।
3645। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আংটির পাথর তাঁর হাতের তালুর দিকে রাখতেন।
3646। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি রূপার আংটি পরেন, তাতে আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল। তিনি পাথরটি তাঁর হাতের তালুর দিকে রাখতেন।
3647। আবদুল্লাহ ইবনে জা‘ফর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান হাতে আংটি পরতেন।
3648। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আংগুলে এবং এই আংগুলে অর্থাৎ বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠাতে আংটি পরতে নিষেধ করেছেন।
3649। আবূ তালহা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করে না।
3650। ‘আলী ইবনে আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সেই ঘরে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না।
3651। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জিবরাঈল (আ)-এর একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাক্ষাতের প্রতিশ্রুতি ছিল কিন্তু তাতে বিলম্ব হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে বের হলেন এবং দেখলেন, জিবরাঈল (আ) দরজায় দাঁড়ানো। তিনি বলেনঃ ভিতরে প্রবেশ করতে কিসে আপনাকে বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ এ ঘরে একটি কুকুর আছে। যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে আমরা প্রবেশ করি না।
3652। আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে তাঁকে অবহিত করে যে, তার স্বামী একটি জিহাদে গেছে। সে তাঁর নিকট তার ঘরে একটি খেজুর গাছের ছবি আঁকার অনুমতি চাইলে তিনি তাকে তা করতে নিষেধ করেন।
3653। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার ঘরের দরজায় ছবিযুক্ত একটি পর্দা টানালাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে তা ছিঁড়ে ফেলেন। পরে আমি তা দিয়ে দু’টি তাকিয়ার গেলাফ বানালাম। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার একটিতে হেলান দিয়ে বসতে দেখেছি।
3654। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনার আংটি এবং লাল রঙের জিনপোষ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
3655। আমের আল-হাজরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী আবূ রায়হানা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চিতা বাঘের চামড়ার উপর সওয়ার হতে নিষেধ করতেন।
3656। মু‘আবিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চিতা বাঘের চামড়ার উপর সওয়ার হতে নিষেধ করতেন।
উৎস: Sunan Ibn Majah
WEBREATH · 11:11
«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari
Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.
WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath