সুনানে ইবনে মাজাহ 14 · The Chapters on Gifts
আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে
2375। নোমান ইবনে বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে, তার পিতা তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি নোমানকে আমার অনুমক অমুক মাল দান করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি নোমানকে যেমন দান করেছো, তোমার অন্য সকল পুত্রকেও কি তদ্রূপ দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে এ ব্যাপারে আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সাক্ষী বানাও। তিনি বলেনঃ তাদের সকলে সমভাবে তোমার সাথে সদ্ব্যবহার করলে তা কি তোমাকে আনন্দিত করবে না? তিনি বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ তাহলে এরূপ করো না।
2376। নোমান ইবনে বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করার পর তার অনুকুলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি তোমার সকল পুত্রকে দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তা ফেরত নাও।
2377। ইবনে আব্বাস ও ইবনে উমার রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কিছু দান করার পর পুনরায় তা ফেরত নেয়া দানকারীর জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তা পুত্রকে যা দান করে তা ফেরত নিতে পারে।
2378। আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার হেবাকৃত জিনিস (দান) ফেরত না নেয়, তবে পিতা পুত্রকে প্রদত্ত হেবা ফেরত নিতে পারে।
2379। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব বলতে কিছু নেই। তবে কাউকে জীবনস্বত্ব দেয়া হলে সেটা তারই প্রাপ্য।
2380। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে মুনেছিঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে জীবনস্বত্ব দান করলে তা তার এবং তার ওয়ারিসদের। দানকারীর কথা তাতে তার অধিকার কর্তন (অবসান) করে দিয়েছে। অতএব যাকে জীবনস্বত্ব দান করা হয়েছে সেটা তার ও তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য।
2381। যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনস্বত্বকে (স্বত্বভোগীর) ওয়ারিসদের জন্য সাব্যস্ত করেছেন।
2382। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রুকবা বলতে কিছু নেই। তবে কারো অনুকূলে কিছু রুকবা (এক প্রকার দান) করা হলে তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরও সে তার মালিক হবে। রাবী বলেন, রুকবা এই যে, দানকারী বললো, ‘‘আমার ও তোমার মধ্যে যে শেষে মরবে এটা তার’’।
2383। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব (উমরা) এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার এবং রুকবাও এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার।
2384। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দান ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের সমতুল্য যে পেট ভরে খাওয়ার পর বমি করে, তারপর ফিরে এসে আবার তা গলাধঃকরণ করে।
2385। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কিছু দান করে তা ফেরত নেয়, সে নিজ বমি ভক্ষণকারীর সমতুল্য।
2386। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দান করে তা ফেরত নেয়, সে কুকুরের সমতুল্য, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে।
2387আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ না দানের বিনিময় নেওয়া হয়, ততক্ষণ দানকারীই তার বেশী হকদার।
2388। আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রদত্ত এক খুতবায় বলেনঃ কোন নারীর জন্য তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত নিজ সম্পদ হস্তান্তর করা জায়েয নয়। কেননা সে তার সম্মান-সম্ভ্রম রক্ষণে ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে দায়বদ্ধ।
2389। কাব ইবনে মালেক-এর বংশধর আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া-এর দাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার দাদী কাব ইবনে মালেক (রাঃ) এর স্ত্রী খায়রা (রাঃ) নিজের গহনাপত্রসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি এগুলি দান-খয়রাত করতে চাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ স্বামীর সম্মতি ব্যতীত নারীর জন্য তার নিজ সম্পদ দান করা জায়েয নয়। তুমি কি কাব-এর সম্মতি গ্রহণ করেছো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোক পাঠিয়ে কাব ইবনে মালেক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস কলেনঃ তুমি কি খায়রাকে তার গহনাপত্র দান করার অনুমতি দিয়েছো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অলঙ্কারপত্র গ্রহণ করেন।
উৎস: Sunan Ibn Majah
WEBREATH · 11:11
«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari
Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.
WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath