সুনানে আবু দাউদ 36 · Signet-Rings (Kitab Al-Khatam)
আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে
4214। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় অনারব বাদশাহদের নিকট চিঠি প্রেরণ করতে চাইলে তাঁকে বলা হলো যে, তারা তো সিল মোহরবিহীন কোনো চিঠি পড়ে না। সুতরাং তিনি রূপা দিয়ে একটি আংটি বানান, এবং তাতে ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ অংকিত করান।[1] সহীহ।
4215। আনাস (রাঃ) সূত্রে ঈসা ইবনু ইউনুসের বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রূপার আংটি তাঁর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাঁর হাতেই ছিলো। অতঃপর সেটি আবূ বাকর (রাঃ)-এর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাঁর হাতে, এরপর উমার (রাঃ)-এর মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর হাতে ছিলো, অতঃপর উসমান (রাঃ)-এর হাতে এলে তিনি কূপের নিকট অবস্থানকালে হঠাৎ তাঁর হাত থেকে সেটি কূপে পড়ে যায়। পরে তার নির্দেশে কূপের সমস্ত পানি নিষ্কাষন করা হয় কিন্তু সেটি আর পাওয়া যায়নি।[1] সনদ সহীহ।
4216। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি রূপার আংটি ছিলো এবং এর পাথর ছিলো আবিসিনীয়।[1] সহীহ।
4217। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আংটি ও তাঁর পাথর পুরাটাই ছিলো রূপার।[1] সহীহ।
4218। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি আংটি বানিয়েছিলেন স্বর্ণের এবং এর উপরিভাগ ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ অংকন করিয়েছিলেন। ফলে লোকেরাও স্বর্ণের আংটি বানালো। তিনি তা দেখে স্বর্ণের আংটি বর্জন করে বললেনঃ আমি এটি আর কখনই পরবো না। অতঃপর তিনি রূপা দিয়ে একটি আংটি বানালেন এবং তাতে ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ অংকিত করালেন। তাঁর মৃত্যুর পর আবূ বাকর (রাঃ) তা ব্যবহার করেন। তার মৃত্যুর পর উমার (রাঃ) তা ব্যবহার করেন এবং তার পরে উসমান (রাঃ) তা ব্যবহার শুরু করেন। একদিন তার হাত থেকে সেটি ‘আরীস’ নামক কূপে পড়ে যায়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উসমান (রাঃ)-এর হাত থেকে আংটিটি পড়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত লোকেরা তার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়নি।[1] সহীহ।
4219। ইবনু উমার (রাঃ) এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপা দিয়ে একটি আংটি বানালেন এবং তাতে ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ অংকিত করে বলেন, কেউ যেন তার আংটিতে এ বাক্য অংকিত না করে। অতঃপর বর্ণনাকারী অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
4220। ইবনু উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে এ সম্পর্কে বর্ণনা করেন, তারা আংটিটি অনুসন্ধান করে পেলেন না। অতঃপর উসমান (রাঃ) আরেকটি আংটি বানান এবং তাতে ‘মুহাম্মাদু রাসূলুল্লাহ’ বাক্য অংকিত করেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সেটি আংটি হিসেবে ব্যবহার করতেন অথবা সিল মোহর হিসেবে সরকারী কাজে ব্যবহার করতেন।[1] সনদ দুর্বল মাতান মুনকার।
4221। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে একটি রূপার আংটি দেখতে পেলেন। লোকজনও আংটি বানিয়ে ব্যবহার শুরু করে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন, ফলে তারা তা ছুঁড়ে ফেলে দেয়।[1] সহীহ।
4222। আব্দুর রাহমান ইবনু হারমালাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশটি বিষয় অপছন্দ করতেনঃ (১) পীত রঙ ব্যবহার, (২) বার্ধক্য পরিবর্তন, (৩) পরিধেয় বস্ত্র হেঁচড়ানো, (৪) (পুরুষের) স্বর্ণের আংটি ব্যবহার, (৫) স্বামী ছাড়া অন্য পুরুষের নিকট নারীদের সৌন্দর্য প্রকাশ করা, (৬) দাবা বা অনুরূপ খেলার গুটি চালনা করা, (৭) ‘মুআব্বিযাত’ অর্থাৎ সূরা ‘নাস’ ও ‘ফালাক’ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ঝাঁড়ফুক করা, (৮) তাবিজ লটকানো, (৯) লজ্জাস্থানের বাইরে বীর্যপাত করা, (১০) দুধ দানকারিনী স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করা, তবে তা হারাম নয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস কেবল বাসরাহর বর্ণনাকারীরা বর্ণনা করেছেন।[1] মুনকার।
4223। আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি পিতলের আংটি পরিহিত অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলে তিনি তাকে বলেনঃ আমি তোমার কাছ থেকে মূর্তির গন্ধ পাচ্ছি কেন? এ কথা শুনে লোকটি আংটি ছুঁড়ে ফেলে দিলো। অতঃপর সে একটি লোহার আংটি পরে এলে তিনি বলেনঃ আমি তোমার নিকট জাহান্নামীদের অলংকার দেখছি কেন? লোকটি এটিও ছুঁড়ে ফেলে দিলো। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে কিসের আংটি ব্যবহার করবো? তিনি বলেনঃ রূপার আংটি ব্যবহার করো, তবে তা যেন এক মিসকাল এর অধিক না হয়।[1] দুর্বল।
4224। ইয়াস ইবনুল হারিস ইবনু মুআইকিব (রহঃ) তার নানার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, লোহার একটি আংটি রূপা দিয়ে মোড়ানো ছিলো। তিনি বলেন, সেটা কখনো আমার নিকট থাকতো না। বর্ণনাকারী বলেন, মুআইকিব (রাঃ) ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আংটির জিম্মাদার।[1] দুর্বল।
4225। আবূ বুরদাহ (রহঃ) থেকে আলী (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ দু‘আ করার সময় তুমি বলবেঃ (অর্থ) ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে হিদায়াত দিন এবং এ পথে দৃঢ় রাখুন, আর হিদায়াতের মাধ্যমে আমাকে স্মরণে রাখুন, সোজা পথে পরিচালিত করুন, তীরের মতো সোজা পথে চালিয়ে স্মরণে রাখুন।’’ তিনি (আলী) বলেন, তিনি আমাকে এই আঙ্গুলের বা এই আঙ্গুলের অর্থাৎ শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরতে নিষেধ করেন এবং কাসসী ও মীসারা (দু’ প্রকার রেশমী বস্ত্র) পরিধান করতে নিষেধ করেন। আবূ বুরদাহ (রহঃ) বলেন, আমরা আলী (রাঃ)-কে বললাম, কাসসী কি? তিনি বলেন, সিরিয়া অথবা মিসর থেকে আমাদের এখানে আমদানীকৃত কাপড়, যাতে কমলা লেবুর মতো ডোরাকাটা থাকতো। আর মিসারা হলো স্ত্রীদের দ্বারা তাদের স্বামীদের জন্য উৎপাদিত জিনিস।[1] সহীহ।
4226। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান হাতে আংটি পরতেন।[1] সহীহ।
4227। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাম হাতে আংটি পরতেন, আংটির পাথর তাঁর হাতের তালুর দিকে থাকতো। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু ইসহাক ও উসামা ইবনু যায়িদ নাফি (রহঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডান হাতের কথা বলেছেন।[1] শায।
4228। নাফি (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ইবনু উমার (রাঃ) তার বাম হাতে আংটি পরতেন।[1] সহীহ।
4229। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আস-সালদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু নাওফাল ইবনু আব্দুল মুত্তালিবকে তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলে আংটি পরিধান করতে দেখে তাকে প্রশ্ন করলাম, এটা কি? তিনি বললেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে এভাবে আংটি পরতে দেখেছি। তিনি আংটির পাথর হাতের পিঠের দিকে রাখতেন। তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) অবশ্যই উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আংটি পরতেন এভাবে।[1] হাসান সহীহ।
4230। আলী ইবনু সাহল ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, একদা তাদের এক মুক্তদাসী যুবায়র (রাঃ)-এর কন্যাকে নিয়ে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এলো। তার (কন্যার) পায়ে নুপুর ছিলো। উমার (রাঃ) তা কেটে ফেলে দিয়ে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি ঘণ্টা ধ্বনির সাথে একটি শয়তান থাকে।[1] দুর্বল।
4231। আব্দুর রাহমান ইবনু হাইয়ান আল-আনসারী (রাঃ) এর মুক্তদাসী বুনানাহ আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন একটি ছোট্ট বালিকাকে নিয়ে আসা হলো। বালিকার পায়ে নুপুরের আওয়াজ শুনে তিনি বলেন, এর পা থেকে নুপুর না খুলে তাকে আমার কাছে আনবে না। তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ঘরে ঘণ্টা থাকে সে ঘরে ফিরিশতা প্রবেশ করে না।[1] হাসান।
4232। আব্দুর রাহমান ইবনু তারাফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘কুলাব’ যুদ্ধের দিন তার দাদা আর-ফাজাহ ইবনু আস'আদের নাক কেটে গেলে তিনি রূপার নাক বানিয়ে নিলেন। তা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশে তিনি স্বর্ণের নাক তৈরী করে নেন।[1] হাসান।
4233। আব্দুর রাহমান ইবনু তারাফা (রহঃ) আরফাজাহ ইবনু আস‘আদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন।[1] হাসান।
4234। আরফাজাহ ইবনু আস‘আদ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থকবোধক হাদীস বর্ণিত।[1] হাসান।
4235। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট (বাদশাহ) নাজ্জাশীর পক্ষ থেকে কিছু অলংকার উপঢৌকনরূপে এলো। এতে একটি স্বর্ণের আংটি ছিলো। যার উপরিভাগে হাফসী পাথর খচিত ছিলো। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা থেকে মুখ ফিরিয়ে কাঠির সাহায্যে অথবা তাঁর কোনো আঙ্গুলের সাহায্যে এটা তুলে ধরেন এবং আবুল আস ও যাইনাবের কন্যা উমামাহকে ডেকে বলেনঃ হে আমার আদুরে ছোট নাতনী! তুমি এ অলংকারটি পরিধান করো।[1] সনদ হাসান।
4236। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে আগুনের বালা পরাতে পছন্দ করে, সে যেন তাকে স্বর্ণের বালা পরতে দেয়। আর যে ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে আগুনের মালা পরাতে পছন্দ করে, সে যেন তার গলায় স্বর্ণের মালা পরিয়ে দেয়। আর যে ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে আগুনের কাকন পরাতে পছন্দ করে সে যেন তার হাতে স্বর্ণের কাকন পরিয়ে দেয়। কিন্তু তোমরা রূপার অলংকার পরতে পারো এবং এর দ্বারা আনন্দ করতে পারো।[1] হাসান।
4237। হুযাইফাহ (রাঃ)-এর বোন সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে নারী জাতি! তোমরা কি রূপা দিয়ে অলংকার তৈরী করতে পারো না! জেনে রাখো! তোমাদের মধ্যকার যে নারী প্রদর্শনীর জন্য স্বর্ণালংকার পরবে তাকে সে কারণে শাস্তি ভোগ করতে হবে।[1] দুর্বল।
4238। আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে কোনো নারী গলায় স্বর্ণের মালা পরবে, কিয়ামতের দিন তার গলায় আগুনের মালা ঝুলিয়ে দেয়া হবে। আর যে কোনো নারী তার কানে স্বর্ণের দুল পরবে, কিয়ামতের দিন অনুরূপ একটি আগুনের দুল তার কানে লটকিয়ে দেয়া হবে।[1] দুর্বল।
4239। মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চিতাবাঘের চামড়ার গদিতে বসতে এবং স্বর্ণের জিনিস পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তবে সামান্য পরিমাণ ব্যবহারে দোষ নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ কিলাবাহ (রহঃ) মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ পাননি।[1] সহীহ।
উৎস: Sunan Abu Dawud
WEBREATH · 11:11
«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari
Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.
WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath