হাদিস
ফিরে যান

সুনানে আবু দাউদ 17 · Game (Kitab Al-Said)

আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে

2844। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি পশুদের রক্ষণাবেক্ষণ শিকার কিংবা কৃষিক্ষেতের পাহারার উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, তার সাওয়াব থেকে প্রত্যহ এক ক্বীরাত করে বিয়োগ করা হবে।

2845। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর সৃষ্টজীবের মধ্যে কুকুর এক প্রকার জীব না হলে আমি এগুলোকে হত্যা করতে আদেশ দিতাম। সুতরাং তোমরা গাঢ় কালো রঙের কুকুরগুলো হত্যা করো।

2846। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কুকুর হত্যার আদেশ দেন, এমন কি কোনো মহিলাও যদি জঙ্গল থেকে তার কুকুরসহ আসতো সেটাও ‘আমরা হত্যা করতাম। অতঃপর তিনি আমাদেরকে কুকুর হত্যা নিষেধ করে বললেনঃ তোমরা শুধুমাত্র কালো কুকুর হত্যা করবে।

2847। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করি, আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারে পাঠালে তা আমার জন্য শিকার ধরে আনলে আমি কি তা খাবো? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরকে আল্লাহর নাম নিয়ে শিকারে পাঠালে তা তোমার জন্য যে শিকার ধরে আনবে তা খাবে। আমি জিজ্ঞেস করি, কুকুর যদি শিকারকে হত্যা করে? তিনি বললেনঃ কুকুর যদি শিকার হত্যা করে এবং তোমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুর অংশগ্রহণ না করে তাহলে খেতে পারবে। আমি বলি, আমি পালকবিহীন ধাতুর পাত ছুঁড়ে কোনো শিকার ধরলে তা খাবো কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে পালকবিহীন ধাতুর পাত ছোঁড়া হলে তা শিকারকে জখম করলে খেতে পারো। কিন্তু তীরের পার্শ্বের আঘাতে শিকার হয়ে থাকলে তা খেও না।

2848। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করি, ‘আমরা এসব কুকুর দ্বারা শিকার করে থাকি। তিনি আমাকে বললেনঃ যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো আল্লাহর নাম নিয়ে শিকারে পাঠাবে, সেগুলো তোমার জন্য যা ধরে আনবে তা খাও, এমন কি শিকার মেরে ফেললেও। কুকুর যদি তা থেকে না খেয়ে থাকে তাহলে খাও। আর যদি খেয়ে থাকে তবে খেও না। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, ঐ শিকার সে নিজের জন্য ধরেছে।

2849। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি যদি আল্লাহর নাম নিয়ে তোমার তীর ছুঁড়ো এবং ঐ শিকারকৃত পশু পরের দিন এমন অবস্থায় পাও যে, তা পানিতে পড়েনি এবং তাতে তোমার তীরের আঘাত ছাড়া অন্য কোনো চিহ্নও নেই, তবে তা খাও। আর যদি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের সাথে অন্য কুকুর দেখো তাহলে শিকার খেও না। কেননা তুমি অবহিত নয় যে, হয় তো অন্য কোনো কুকুর শিকার হত্যা করেছে।

2850। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার শিকার তীরসহ পানিতে পড়ে ডুবে মারা গেলে তাহলে তুমি তা খাবে না।

2851। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কোনো কুকুর বা বাজ পাখি প্রশিক্ষণ দিয়ে শিকারে পাঠালে এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করলে- সে তোমার জন্য যা ধরে আনবে তা খেতে পারো। আমি বলি, যদি সে তা মেরে ফেলে? তিনি বললেনঃ সে যদি শিকার হত্যা করে এর কোনো অংশ না খায়, তবে সে তা তোমার জন্যই শিকার করেছে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বাজ পাখি শিকারের কিছু খেলে অসুবিধা নেই। কুকুর শিকার থেকে খেলে তা খাওয়া নিষেধ, তবে কেবল রক্ত পান করলে তা খাওয়া দূষণীয় নয়।

2852। আবূ সা‘লাবাহ আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের শিকার সম্পর্কে বলেনঃ তুমি যখন তোমার কুকুর শিকারে পাঠাবে এবং তাতে মহান আল্লাহর নাম স্মরণ করবে, অতঃপর সে যা ধরে নিয়ে আসবে তা খেতে পারো। এমন কি তা থেকে কুকুর সামান্য খেলেও অসুবিধা নেই। আর তোমার ধনুক তোমাকে যা ফিরিয়ে দিবে তা খাও।

2853। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কেউ যদি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে, অতঃপর দুই বা তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর মৃত অবস্থায় শিকারটি পায় এবং তার শরীরে তীরবিদ্ধ থাকে। সে কি তা খাবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে ইচ্ছা হলে খেতে পারে।

2854। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (পালাকহীন ও মধ্যবর্তী অংশ মোটা) তীর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ শিকার এর ধারালো দিকের আঘাতে মারা গেলে খাবে। আর প্রস্থের দিকের আঘাতে মারা গেলে খাবে না। কেননা তা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত প্রাণীর মতই (হারাম)। আমি বলি, আমি শিকার ধরার জন্য আমার কুকুর প্রেরণ করি। তিনি বললেনঃ আল্লাহর নাম নিয়ে ছেড়ে থাকলে খাও, অন্যথায় খেও না। তবে কুকুর শিকার থেকে খেয়ে থাকলে তা খেও না। কেননা সে তা নিজের জন্য ধরেছে। ‘আদী (রাঃ) বললেন, আমার শিকারের জন্য কুকুর প্রেরণ করি এবং এর সাথে অন্য কুকুরও দেখি। তিনি বললেনঃ তা খাবে না। কারণ তুমি তো কেবল তোমার কুকুরের উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করেছো।

2855। আবূ সা‘লাবাহ আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহ রাসূল! আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণহীন উভয় ধরণের কুকুর শিকারে প্রেরণ করি। তিনি বললেনঃ তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরকে আল্লাহর নাম নিয়ে ছেড়ে থাকলে তার শিকার খাও। আর তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারে পাঠালে তার শিকার যবাহ করার সুযোগ পেলে তা খাবে।

2856। আবূ সা‘লাবাহ আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আবূ সা‘লাবাহ! তোমার তীর ও কুকুর তোমাকে যে শিকার এনে দিলে তা ভক্ষণ করো। বর্ণনাকারী ইবনু হারবের বর্ণনায় ‘প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত’ এবং ‘কাওসের’ স্থলে ‘ইয়াদ’ শব্দ উল্লেখ রয়েছে। তাতে এও আছে, হোক জীবিত বা মৃত তা খেতে পারবে।

2857। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। একদা আবূ সা‘লাবাহ (রাঃ) নামক এক বেদুঈন এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার শিকারী কুকুর রয়েছে। এর শিকার সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার শিকারী কুকুর তোমার জন্য যা ধরে নিয়ে আসে তা খাও। তিনি বলেন, তা যবাহ করার সুযোগ না পেলে? তিনি বললেনঃ সে তা থেকে কিছু খেলেও খেতে পারবে। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তীর-ধনুক সম্পর্কে বলুন। তিনি বললেনঃ তোমার তীর তোমাকে যা ফেরত দেয় তা খাও। তা যবাহ করার সুযোগ পাও অথবা না পাও। তিনি বলেন, শিকার যদি নিখোঁজ হয়। তিনি বললেনঃ যদি তাতে তোমার তীর ছাড়া অন্য কিছুর চিহ্ন না থাকে তবে খাবে। তিনি বলেন, অগ্নিপূজারীর রান্না ও পাত্র ব্যবহার সম্পর্কে ফতোয়া দিন; যদি ওগুলো ছাড়া আমাদের কোনো উপায় না থাকে। তিনি বললেনঃ ওগুলো ধুয়ে নিবে, তারপর খাবে।

2858। আবূ ওয়াকিদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জীবিত পশুর দেহের অংশবিশেষ কেটে বিচ্ছিন্ন হলে ঐ অংশ মৃত বলে গণ্য (যা হারাম)।

2859। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জঙ্গলে বসবাসকারীর অন্তর কঠিন হয়ে যায়। যে লোক শিকারের পিছনে ছুটে সে কর্মবিমুখ হয়। আর যে লোক রাজা-বাদশার নিকট আসা-যাওয়া করে সে বিপদগ্রস্ত হয়।

2860। আবূ হুরাইরাহ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাজা-বাদশার সাথে নিরবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক স্থাপনকারী বিপদগ্রস্ত হয়। আর যে বান্দা রাজার সাথে অধিক ঘনিষ্ঠ হয় সে আল্লাহ থেকে ততোই দূরে সরে যেতে থাকে।

2861। আবূ সা‘লাবাহ আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপের তিনদিন পর তা পেলে এবং তোমার তীর আটকে থাকলে তা খেতে পারবে, যদি তাতে দুর্গন্ধ না থাকে।

উৎস: Sunan Abu Dawud

WEBREATH · 11:11

«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari

Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.

WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath