হাদিস
ফিরে যান

সুনানে আবু দাউদ 10 · The Book of Lost and Found Items

আপনার ভাষায় এখনো কোনো অনুবাদ নেই — ইংরেজি দেখাচ্ছে

1701। সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়িদ ইবনু সুহান এবং সালমান ইবনু রবী‘আহ এক সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। এ সময় আমি একটি চাবুক পাই। তারা দু‘জনেই আমাকে চাবুকটি ফেলে দিতে বললেন। তখন আমি বললাম, না, যদি এর মালিককে পাই (তাহলে তাকে এটি ফেরত দিবো), অন্যথায় আমি নিজে এটা ব্যবহার করবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি হজ পালন শেষে মাদীনায় গিয়ে (এ বিষয়ে) উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি একটি থলে পেয়েছিলাম। যার মধ্যে একশো দীনার ছিলো। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলাম। তিনি বললেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিয়ে যাও। আমি তাই করলাম। আমি (এক বছর পরে) পুনরায় তার কাছে আসলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। ফলে আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। অতঃপর তার কাছে এসে বললাম, আমি এর মালিকের সন্ধান পাই নি। তিনি বললেনঃ দীনারের সংখ্যা, থলি এবং থলির বাঁধন হিফাযাতে রাখো। যদি এর মালিক আসে (তাকে তা দিয়ে দিবে)। অন্যথায় তুমি এগুলো কাজে লাগাবে। বর্ণনাকারী সালামাহ ইবনু কুহাইল বলেন, আমার মনে নেই যে, সুওয়াইদ কি তিন বছর ঘোষণা দেয়ার কথা বলেছেন নাকি এক বছর।[1] সহীহ।

1702। শু‘বাহ হতে এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘‘এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও’’- তিনি এ কথাটি তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অবহিত নই যে, (সালামাহ) এক বছর ঘোষণা করার কথা বলেছেন নাকি তিন বছর।[1] সহীহ।

1703। সালামাহ ইবনু কুহাইল (রাঃ) সূত্রে এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি ঘোষণা সম্পর্কে বলেন, দুই অথবা তিন বছর। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ (দীনারের) পরিমাণ, থলে এবং থলের বাঁধন চিনে রাখো। যদি এর মালিক আসে এবং এর সংখ্যা ও থলে চিনতে পারে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে।[1] সহীহ।

1704। যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তুমি ঐ জিনিস সম্পর্কে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে থাকবে। অতঃপর তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। তারপর সেখান থেকে খরচ করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তবে তাকে তা ফেরত দিবে। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রসূল! পথহারা বকরীর বিধান কি? তিনি বললেন, তা ধরে রাখো। কেননা সেটা হয় তো তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের কিংবা বাঘের জন্য। লোকটি আবার বললো, হে আল্লাহর রসূল! পথহারা উটের বিধান কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতে অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চিবুক বা চেহারা লালবর্ণ ধারণ করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এর (উটের) সাথে তোমার কি সম্পর্ক? কারণ এর পা আছে এবং পেটের ভেতর পানিও রয়েছে, যতক্ষণ না এর মালিক আসে (ততক্ষণ চলতে থাকবে)।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

1705। মালিক (রহঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ উটের পেটে পানি সংরক্ষিত আছে। সে পানি পানের স্থানে যেতে পারবে, ঘাস খেতে পারবে। কিন্তু এ হাদীসে হারিয়ে যাওয়া বকরী ধরে রাখার কথা নেই। তিনি লুক্বতাহ সম্পর্কে বলেন, এ ব্যাপারে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে মালিক ফিরে এলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে, অন্যথায় তোমার যা ইচ্ছে করবে। এতে ‘ইসতানফিক্ব’ শব্দটি নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সওরী, সুলায়মান ইবনু হিলাল এবং হাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রাঃ) রবী‘আহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু (হারানো বকরী) ‘‘ধরে রাখার কথা নেই।[1] সহীহ : মুসলিম।

1706। যায়িদ ইবনু খলিদ আল-জুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। অতঃপর তুমি তা থেকে ভোগ করবে। তবে (পরবর্তীতে) যদি এর মালিক এসে যায় তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে।[1] সহীহ : মুসলিম, এর সানাদে অতিরিক্ত আছে, নাদর, সাঈদ হতে বুসর সূত্রে। এটাই সঠিক।

1707। যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো... অতঃপর রবী‘আহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। খালিদ বলেন, পড়ে থাকা বস্ত্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এক বছর যাবত এর ঘোষণা করবে। এর মালিক ফিরে আসলে তাকে তা ফেরত দিবে। নতুবা তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে এবং তা তোমার মালের সাথে রেখে দিবে। আর এর মালিক ফিরে এলে তাকে তা দিয়ে দিবে।[1] সহীহ।

1708। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও রবী‘আহ কুতাইবাহর সানাদে এবং তার হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছেঃ যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেশ করে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। হাম্মাদ তার সানাদ পরম্পরায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামাহ, সালামাহ ইবনু কুহাইল, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এবং ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা হলোঃ যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে।’’ এ বাক্যের মধ্যে ‘‘এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে’’ কথাটি সংরক্ষিত নয়। উক্ববাহ ইবনু সুওয়াইদ তার পিতা থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে বলেনঃ ‘‘এক বছর ঘোষণা দিতে হবে।’’ এছাড়াও ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এক বছর ঘোষণা করার কথা আছে।[1] যায়িদ ইবনু খালিদের হাদীস-সহীহ। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমরের হাদীস-হাসান সহীহ। সুওয়াইদের হাদীস-সহীহ। ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের হাদীস-সহীহ।

1709। ইয়াদ ইবনু হিমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু পাবে, সে যেন একজন অথবা দুইজন সত্যবাদী লোককে এর সাক্ষী রাখে। বিষয়টি যেন সে গোপন না রাখে এবং আত্নসাৎ না করে। যদি সে এর মালিককে পায় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় মহান আল্লাহর মাল, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করে থাকেন।[1] সহীহ।

1710। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাছে ঝুলে থাকা ফল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কেউ যদি তা নিরূপায় (অভাবী) হয়ে খায় এবং তা লুকিয়ে না নেয় তাহলে তার জন্য দোষণীয় নয়। আর যে ব্যক্তি এর বিপরীত করবে (লুকিয়ে নিবে) তাহলে তার জন্য এর দ্বিগুণ জরিমানা রয়েছে এবং সে শাস্তিও পাবে। আর যে ব্যক্তি খেজুর চুরি করে এরূপ অবস্থায় যে, তা গাছ থেকে কেটে শুকানোর জন্য আঙ্গিনায় রাখা হয়েছে, তাহলে চুরিকৃত জিনিসের মূল্য যুদ্ধের একটি ঢালের পরিমাণ হলে তার হাত কাটা হবে। বর্ণনাকারী পথহারা বকরী ও উটের কথাও উল্লেখ করেছেন যেমন বর্ণনা করেছেন অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ। তিনি বলেন, তাঁকে লুক্বতাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, জনসাধারণের চলাচলের পথে কিছু পাওয়া গেলে এক বছর যাবত তা ঘোষণা করতে থাকবে। যদি এর মালিক এসে যায় তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। আর যদি না আসে তবে তা তোমার। আর যে জিনিস অনাবাদী এলাকায় (গুপ্তধনরূপে) পাওয়া যাবে তার এক-পঞ্চমাংশ (যাকাত) দিবে।[1] হাসান।

1711। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে রয়েছেঃ তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারানো বকরী ধরে রাখতে বলেছেন।[1] হাসান।

1712। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ পথহারা বকরী তোমার জন্য অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য অথবা বাঘের জন্য। অতএব তা ধরে রাখো। বর্ণনাকারী আইয়ূব, ইয়া‘কূব ইবনু ‘আত্বা, ‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন যে, তুমি তা ধরে রাখো।[1] ইবনু ‘আমরের হাদীস-হাসান।

1713। ‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি পথহারা বকরী সম্পর্কে বলেন, তুমি তা নিজের হিফাযাতে রেখে দাও, এর মালিক ফিরে আসা পর্যন্ত।[1] হাসান।

1714। আবূ সাঈদ আল-খূদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) পথে পড়ে থাকা দীনার পেয়ে তা ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর কাছে নিয়ে আসেন। তিনি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক্ব। অতঃপর রসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ‘আলী এবং ফাত্বিমাহ (রাঃ) সকলেই তা দিয়ে খাবার কিনে এনে খেলেন। এর পরে এক মহিলা এসে দীনার খুঁজতে থাকে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আলী! তুমি তার দীনার পরিশোধ করে দাও।[1] হাসান।

1715। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি পথে পতিত একটি দীনার পেয়ে তা দিয়ে আটা কিনলেন। আটার বিক্রেতা তাকে (রাসূলের জামাতা হিসেবে) চিনতে পেরে তাঁকে দীনারটি ফেরত দিলেন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) দীনারটি ভাঙ্গিয়ে দুই ক্বিরাত দিয়ে গোশত কিনলেন।[1] সহীহ।

1716। সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর কাছে গিয়ে হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে কাঁন্নারত পেয়ে তাকে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করেন। তখন ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, তাঁরা ক্ষুদার জ্বালায় কান্না করছে। ‘আলী (রাঃ) ঘর থেকে বের হলেন এবং বাজারে গিয়ে একটি দীনার পতিত অবস্থায় পেলেন। তিনি দীনারটি ফাত্বিমাহর কাছে নিয়ে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাত্বিমাহ বলেন, আপনি দীনারটি নিয়ে উমুক ইয়াহূদীর কাছে গিয়ে আমাদের জন্য আটা ক্রয় করুন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) ইয়াহূদীর কাছে গিয়ে আটা কিনলেন। ইয়াহূদী বললো, আপনি তো ঐ লোকের জামাতা, যিনি নিজেকে ‘আল্লাহর রসূল’ দাবী করেন। তখন ‘আলী (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। তখন ইয়াহূদী বললো, আপনি দীনারটি ফেরত নিন এবং এই আটাও নিয়ে যান (মূল্য দিতে হবে না)। ‘আলী (রাঃ) আটা নিয়ে ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর কাছে এসে বিষয়টি জানালেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, আপনি উমুক কসাইয়ের কাছে গিয়ে আমাদের জন্য এক দিরহামের গোশত ক্রয় করুন। তিনি সেখানে গিয়ে দীনারটি বন্ধক রেখে এক দিরহাম মূল্যের গোশত কিনে ঘরে ফিরলেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) আটা দিয়ে রুটি বানালেন এবং গোশত রান্না করলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে খবর দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের কাছে আসলে ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে ঘটনাটি খুলে বলছি। আপনি যদি এটা আমাদের জন্য হালাল মনে করেন তাহলে আমরা তা খাবো এবং আমাদের সাথে আপনিও খাবেন। ঘটনা এরূপ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বিসমিল্লাহ বলে খাও। তাঁরা যখন খাচ্ছিলেন তখন এক যুবক আল্লাহ ও ইসলামের নামে শপথ উচ্চারণ করে দীনারটি খুঁজছিলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ মোতাবেক তাকে ডেকে দীনার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। সে বললো, দীনারটি আমার নিকট থেকে বাজারে পড়ে গেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে ‘আলী! তুমি কসাইয়ের নিকট গিয়ে বলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে দীনারটি আমার কাছে ফেরত দিতে বলেছেন। আর তিনি আপনার দিরহাম দিয়ে দিবেন। অতঃপর কসাই তা ফেরত দিলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি ঐ যুবককে ফিরিয়ে দিলেন।[1] হাসান।

1717। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে লাঠি, রশি, চাবুক এবং এ ধরণের পতিত জিনিস ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন।[1] দুর্বল।

1718। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পথহারা উটের হুকুম হলো, যদি কেউ তা পাওয়ার পর বিষয়টি গোপন করে তাহলে তাকে জরিমানা হিসেবে ঐ উটের সাথে অনুরূপ আরেকটি উট দিতে হবে।[1] সহীহ।

1719। ‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘উসমান আত-তাইমী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজীদেরকে পথে পড়ে থাকা বস্ত্ত তুলে নিতে নিষেধ করেছেন। আহমাদ বলেন, ইবনু ওয়াহাব হাজ্জের মৌসুমে পথে পড়ে থাকা বস্ত্ত সম্পর্কে বলেন, তা পতিত অবস্থায় থাকতে দাও যাতে তার মালিক তা পেয়ে যায়।[1] সহীহ।

1720। আল-মুনযির ইবনু জারীর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি জারীর (রাঃ)-এর সাথে বাওয়াযীজ নামক স্থানে ছিলাম। এ সময় রাখাল গরুর পাল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। যাতে অন্য একটি গরুও ছিলো। ফলে জারীর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেন, এটা কোথা থেকে এলো। রাখাল বললো, আমাদের গরুর পালের মধ্যে এসে ঢুকে পড়েছে। আমি জানি না, গরুটি কার? তখন জারীর (রাঃ) বলেনঃ এটাকে পাল থেকে বের করো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ পথভ্রষ্ট লোকই পথহারা পশুকে আশ্রয় দিয়ে থাকে।[1] সহীহ মারফু, তার সূত্রে।

উৎস: Sunan Abu Dawud

WEBREATH · 11:11

«Should I not be a thankful servant?» — Sahih al-Bukhari

Breath is one for all: everyone lives by it, whoever they are and whatever they believe. Every day at 11:11 local time people stop for sixty seconds, breathe, and thank GOD for the breath — each in their own words, each within themselves. In that minute we are One Breath.

WEBREATH — the Minute at 11:11, your own local time — we are One Breath